হাজার হাজার বছর ধরে চলা প্রজাতি গণবিলুপ্তির ঘটনাকে বিজ্ঞানীরা 'বিগ ফাইভ' নামে অভিহিত করে থাকেন। এর ফলে বিশ্বের ৭৫ শতাংশ প্রজাতি নাকি বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, তেমনি আরেক গণবিলুপ্তির দ্বারে এখন মানব সভ্যতা। ডয়চেভেলে
পৃথিবীর কোটি কোটি বছরের ইতিহাসে পরিবেশে বড় ধরনের যে পাঁচটি পরিবর্তন এসেছে তার ফলে লাখ লাখ প্রজাতির প্রাণী চিরদিনের জন্য এই ধরণী থেকে মুছে গেছে। বিরাটাকৃতির ডায়নোসর তার মধ্যে অন্যতম যার কথা আমরা সকলেই জানি। বিগত কয়েক দশক ধরে প্রাণী বৈচিত্রের রূপ লক্ষ্য করে বিজ্ঞানীরা এখন আশঙ্কা করছেন যে নতুন আরেক বিলুপ্তির পথে এখন গোটা পৃথিবী। আর এর ফলে আবারও হারিয়ে যাবে হাজার হাজার প্রজাতির প্রাণী। ইতিমধ্যে তার কিছু আলামতও দেখা যাচ্ছে। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকরা স্তন্যপায়ী প্রাণীদের ওপর ভিত্তি করে সমপ্রতি এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। এই প্রাণী বিলুপ্তির কারণ হচ্ছে ব্যাপক হারে মানব বসতি, অতিরিক্ত প্রাণী শিকার ও মৎস আহরণ, বিভিন্ন ধরনের জীবাণুর বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের উষ্ণায়ন বৃদ্ধি। গত পাঁচশ বছরের আগ পর্যন্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর বিলুপ্তি তেমন একটা দেখা যায়নি, কিন্তু আধুনিক সভ্যতার সঙ্গে সঙ্গে এই প্রাণী বিলুপ্তি বেড়ে গেছে আশঙ্কাজনকভাবে। অন্তত ৮০ প্রকার স্তন্যপায়ী প্রাণী ইতিমধ্যে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন। যদিও পরিবেশে প্রাণী বিলুপ্তির বিষয়টি এত সহজে ঘটে না কিন্তু যে হারে এই বিলুপ্তি শুরু হয়ে গেছে তা 'বিগ ফাইভে'র মত আরও এক বিলুপ্তিকরণের সূচনা ঘটতে চলেছে। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, আগামী তিন থেকে ২২ শতকের মধ্যেই এই গণবিলুপ্তির ঘটনা ঘটবে। ভাবছেন, হাতে তো অনেক সময় রয়েছে। তাহলে জেনে রাখুন, সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাণী বিলুপ্তির ঘটনাটি কিভাবে ঘটেছিল। আজ থেকে ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে ক্রেটাকেউস যুগের শেষে বিশাল একটি ধূমকেতু কিংবা উল্কা পৃথিবীতে এসে আঘাত হেনেছিল ইউকাটান উপদ্বীপে যেটি আজ মেক্সিকো নামে পরিচিত। গোটা পৃথিবীতে বয়ে গিয়েছিল আগুনের ঝড়, আর তাতে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল বিশালায়তন ডায়নোসর সহ বিশ্বের ৭৬ ভাগ প্রাণী। সুতরাং বিজ্ঞানীরা যে বিগ সিক্স-এর আশঙ্কা করছেন সেটি যদি শুরু হয়ে যায় তাহলে কয়েক শতাব্দী পর হয়তো মানুষ বলেই এই পৃথিবীতে কিছু থাকবে না।
By ঝামেলা ভাইয়া
পৃথিবীর কোটি কোটি বছরের ইতিহাসে পরিবেশে বড় ধরনের যে পাঁচটি পরিবর্তন এসেছে তার ফলে লাখ লাখ প্রজাতির প্রাণী চিরদিনের জন্য এই ধরণী থেকে মুছে গেছে। বিরাটাকৃতির ডায়নোসর তার মধ্যে অন্যতম যার কথা আমরা সকলেই জানি। বিগত কয়েক দশক ধরে প্রাণী বৈচিত্রের রূপ লক্ষ্য করে বিজ্ঞানীরা এখন আশঙ্কা করছেন যে নতুন আরেক বিলুপ্তির পথে এখন গোটা পৃথিবী। আর এর ফলে আবারও হারিয়ে যাবে হাজার হাজার প্রজাতির প্রাণী। ইতিমধ্যে তার কিছু আলামতও দেখা যাচ্ছে। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকরা স্তন্যপায়ী প্রাণীদের ওপর ভিত্তি করে সমপ্রতি এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। এই প্রাণী বিলুপ্তির কারণ হচ্ছে ব্যাপক হারে মানব বসতি, অতিরিক্ত প্রাণী শিকার ও মৎস আহরণ, বিভিন্ন ধরনের জীবাণুর বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের উষ্ণায়ন বৃদ্ধি। গত পাঁচশ বছরের আগ পর্যন্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর বিলুপ্তি তেমন একটা দেখা যায়নি, কিন্তু আধুনিক সভ্যতার সঙ্গে সঙ্গে এই প্রাণী বিলুপ্তি বেড়ে গেছে আশঙ্কাজনকভাবে। অন্তত ৮০ প্রকার স্তন্যপায়ী প্রাণী ইতিমধ্যে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন। যদিও পরিবেশে প্রাণী বিলুপ্তির বিষয়টি এত সহজে ঘটে না কিন্তু যে হারে এই বিলুপ্তি শুরু হয়ে গেছে তা 'বিগ ফাইভে'র মত আরও এক বিলুপ্তিকরণের সূচনা ঘটতে চলেছে। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, আগামী তিন থেকে ২২ শতকের মধ্যেই এই গণবিলুপ্তির ঘটনা ঘটবে। ভাবছেন, হাতে তো অনেক সময় রয়েছে। তাহলে জেনে রাখুন, সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাণী বিলুপ্তির ঘটনাটি কিভাবে ঘটেছিল। আজ থেকে ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে ক্রেটাকেউস যুগের শেষে বিশাল একটি ধূমকেতু কিংবা উল্কা পৃথিবীতে এসে আঘাত হেনেছিল ইউকাটান উপদ্বীপে যেটি আজ মেক্সিকো নামে পরিচিত। গোটা পৃথিবীতে বয়ে গিয়েছিল আগুনের ঝড়, আর তাতে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল বিশালায়তন ডায়নোসর সহ বিশ্বের ৭৬ ভাগ প্রাণী। সুতরাং বিজ্ঞানীরা যে বিগ সিক্স-এর আশঙ্কা করছেন সেটি যদি শুরু হয়ে যায় তাহলে কয়েক শতাব্দী পর হয়তো মানুষ বলেই এই পৃথিবীতে কিছু থাকবে না।
By ঝামেলা ভাইয়া
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন